মৌলভীবাজারে প্রত্যাশার চেয়ে কম পর্যটক

মৌলভীবাজারে প্রত্যাশার চেয়ে কম পর্যটক

সবুজ চা-বাগান, পাহাড়, বনাঞ্চল ও মনোরম পরিবেশে সময় কাটাতে পর্যটকেরা আসেন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। তবে এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে প্রত্যাশার চেয়ে কম পর্যটক দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ, সড়কপথে দীর্ঘ যানজট, ট্রেনের টিকিট সংকট, আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে প্রত্যাশিত পর্যটক শ্রীমঙ্গলমুখী হচ্ছেন না। ফলে উপচেপড়া ভিড় নেই।

পর্যটক সুমন মিয়া বলেন, ঈদের দিন কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই শ্রীমঙ্গলে চলে এসেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছি। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে শ্রীমঙ্গল সত্যিই অসাধারণ জায়গা।

বরিশাল থেকে আসা পর্যটক সাইফুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগের দিনই পরিবার নিয়ে শ্রীমঙ্গলে এসেছি। এখানে তিন দিন থাকার পরিকল্পনা রয়েছে। চা-বাগান, লেক ও বনাঞ্চল ঘুরে দেখছি। আবহাওয়া কিছুটা গরম হলেও শ্রীমঙ্গলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করেছে।

অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি তাপস দাশ বলেন, ঈদ উপলক্ষে রাধানগর এলাকার হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে প্রায় ৭০ শতাংশ আগাম বুকিং সম্পন্ন হয়েছিল। তবে ঈদের প্রথম দিনে পর্যটকের উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। পরে ধীরে ধীরে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে।

পর্যটন সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এস কে দাশ সুমন বলেন, শ্রীমঙ্গলে বর্তমানে শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট ও আবাসন সুবিধা রয়েছে। বড় ছুটিগুলোকে কেন্দ্র করেই পর্যটন ব্যবসায়ীরা সারা বছর অপেক্ষা করেন। কিন্তু এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় পর্যটক কম।

ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের পরিদর্শক প্রজিত কুমার দাশ বলেন, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গলের সব গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।